মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার আইলকুন্ডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের পরিবর্তে, বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলছে নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আকলিমা আক্তারের দায়িত্ব পালনে অনিয়ম স্পষ্ট। তিনি বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শিক্ষা অধিদপ্তরের মোতাবেক চালাচ্ছেন না। দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি ছুটি থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়ের ভিতরে সহকারী শিক্ষিকা দ্বারা পরিচালনা করছেন প্রাইভেট বানিজ্য।
মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার আইলকুন্ডি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একের পর এক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের পরিবর্তে, বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলছে নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আকলিমা আক্তারের দায়িত্ব পালনে অনিয়ম স্পষ্ট। তিনি বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শিক্ষা অধিদপ্তরের মোতাবেক চালাচ্ছেন না। দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি ছুটি থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়ের ভিতরে সহকারী শিক্ষিকা দ্বারা পরিচালনা করছেন প্রাইভেট বানিজ্য।
আবার শ্রেণীকক্ষের সকল শিক্ষার্থীদের পাঞ্জেরী গাইড পড়তে দেখা যায়। এসময় প্রাইভেট বানিজ্যকারী সহকারী শিক্ষিকা সুব্রিতা রাণী বিশ্বাস বলেন, আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের কোন গাইড কিনতে বলি নাই। তাহলে সবার কাছে একই ব্যান্ডের গাইড কেন এ প্রশ্নের জবাবে তিনি কিছু বলতে পারেন নি। এতে শিক্ষা ক্ষেত্রে শিক্ষকদের এক ধরনের বাণিজ্যিকরণ হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষিকা আকলিমা আক্তার বলেন, আমি জানি সে প্রাইভেট পাড়ায়। কিন্তু তাকে এখন বলে দিচ্ছি বিদ্যালয়ের ভিতরে প্রাইভেট না পড়ানোর জন্য।
আবার শ্রেণীকক্ষের সকল শিক্ষার্থীদের পাঞ্জেরী গাইড পড়তে দেখা যায়। এসময় প্রাইভেট বানিজ্যকারী সহকারী শিক্ষিকা সুব্রিতা রাণী বিশ্বাস বলেন, আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের কোন গাইড কিনতে বলি নাই। তাহলে সবার কাছে একই ব্যান্ডের গাইড কেন এ প্রশ্নের জবাবে তিনি কিছু বলতে পারেন নি। এতে শিক্ষা ক্ষেত্রে শিক্ষকদের এক ধরনের বাণিজ্যিকরণ হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষিকা আকলিমা আক্তার বলেন, আমি জানি সে প্রাইভেট পাড়ায়। কিন্তু তাকে এখন বলে দিচ্ছি বিদ্যালয়ের ভিতরে প্রাইভেট না পড়ানোর জন্য।